এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

এইচএসসি রসায়ন

এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

এইচএসসি রসায়ন বিজ্ঞানের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখার। বর্তমানে মানুষ রসায়ন বা Chemistry উপর অনেকটায় নির্ভরশীল। তাই বেশিরভাগ মানুষ রসায়ণ নিয়ে লেখাপড়া করে বা পড়াশোনা করতে আগ্রহী।

এইচএসসি রসায়ন
এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

এইসএসসি ছাত্রছাত্রীদের জন্য রসায়ন রসায়ণ একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে রসায়ন ১ম পত্র এবং ২য় পত্র রয়েছে। তবে আজকে আমি সকল ছাত্রছাত্রীদের সুবিধার জন্য এইসএসসি রসায়ন ১ম পত্রের প্রথম অধ্যায় নিয়ে আলোচনা করব।

আরো পড়ুন>> এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

এইচএসসি রসায়ন
এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

অধ্যায় পরিচিতি

এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায়ের নাম ল্যাবরেটরি নিরাপদ ব্যবহার (Safe use of Leboratory)।

আরো পড়ুন>> এইচএসসি জীববিজ্ঞান ১ম পত্র তৃতীয় অধ্যায় নোট

সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রশ্ন ১. ল্যাবরেটরি কিট কী?

উত্তর: ফার্স্ট এইড বক্সে ব্যবহৃত সকল প্রয়োজনীয় বস্তুকে একত্রে ল্যাবরেটরি কিট বলে।

প্রশ্ন ২. পলির বর্জন নীতিটি লেখো।

উত্তর: ‘‘একই পরমাণুতে যেকোন দুটি ইলেকট্রনের চারটি কোয়ান্টাম সংখ্যার মান কখনও একই হতে পারে না।’’

প্রশ্ন ৩. প্রমাণ দ্রবণ কী?

উত্তর: নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন দ্রবণের নির্দিষ্ট আয়তনে দ্রবের পরিমাণ জানা থাকলে সে দ্রবণকে প্রমাণ দ্রবণ বলে।

প্রশ্ন ৪. ফাস্ট এইড বক্স কী?

উত্তর: ল্যাবরেটরিতে ছোটখাটো দুর্ঘটনায় প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় উপকরণ সম্বলিত বাক্সকে ফাস্ট এইড বক্স বলে।

প্রশ্ন ৫. সেমি মাইক্রো বিশ্লেষণ কী?

উত্তর: যে গুণগত বিশ্লেষণে পরীক্ষণীয় নমুনা পদার্থের 0.05g থেকে 0.2g ব্যবহার করা হয় এবং দ্রবণের পরিমাণ 2-4 mL হয়ে থাকে তাকে সেমি মাইক্রো বিশ্লেষণ বলে।

আরো পড়ুন>> HSC পদার্থবিজ্ঞান ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট

প্রশ্ন ৬. অরবিটাল সংকরণ কী?

উত্তর: বিক্রিয়াকালে কোনো পরমাণুর যোজ্যতা স্তরের বিভিন্ন অরবিটালসমূহ পরস্পরের সাথে মিশ্রিত হয়ে পরে সমশক্তির অরবিটাল সৃষ্টির করার প্রক্রিয়াকে অরবিটালসমূহের সংকরণ বলা হয়।

প্রশ্ন ৭. দ্র্যব্যতা কী?

উত্তর: কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গ্রামে পকাশিত যে পরিমাণ দ্রব ১০০ কেজি দ্রাবকে দ্রবীভূত হয়ে সম্পৃক্ত দ্রবণ উৎপন্ন করে ঐ পরিমাণ দ্রবকে ঐ দ্রবের দ্র্যব্যতা বলে।

প্রশ্ন ৮. মোলারিটি কী?

উত্তর: স্থির উষ্ণতায় প্রতি লিটার দ্রবণে দ্রবীভূত দ্রবের গ্রাম আণবিক ভর বা মোল সংখ্যাকে ঐ দ্রবণে দ্রবটির মোলারিটি বলা হয়।

প্রশ্ন ৯. সবুজ রসায়ন কী?

উত্তর: রসায়নের যে শাখায় ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থের উৎপাদন, ব্যবহার হ্রাসকরণ এবং বর্জনকল্পে রাসায়নিক উৎপাদ ও প্রক্রিয়ার আবিষ্কার, ডিজাইন ও প্রয়োগ আলোচিত হয় তাকে সবুজ রসায়ন বা গ্রিন কেমিস্ট্রি বলে।

প্রশ্ন ১০. রাইডার ধ্রুবক কী?

উত্তর: বীমের উপর রাইডার স্থাপন করলে বীমের প্রতি দাগাংকের জন্য যে ওজন পাওয়া যায়, তাকে রাইডার ধ্রুবক বলে।

আরো পড়ুন>> এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র ২য় অধ্যায়

অনুধাবনমূলক প্রশ্ন এবং উত্তর

প্রশ্ন ১. ল্যাবরেটরীতে ব্যবহৃত রাসায়নিক দ্রবের পরিমিত ব্যবহারের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর। 

উত্তর: ল্যাবরেটরিতে বিভিন্ন প্রকার পরীক্ষা সম্পাদনের জন্য নানা ধরনের রাসায়নিক উপাদান ব্যবহার করা হয়। এসব রাসায়নিক উপাদানের মধ্যে এসিড, ক্ষার ও লবণ ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন ধরনের বিষাক্ত ও ক্ষতিকারক রাসায়নিক উপাদান। এসব উপাদানের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে পরিবেশ তথা মাটি, পানি ও বায়ুমন্ডল মারাত্মকভাবে দূষিত হয়। যার ফলে পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মক ঝুঁকির সম্মুখীন হয়। তাই ল্যাবরেটরীতে রাসায়নিক দ্রব্যের পরিমিত ব্যবহার প্রয়োজন।

প্রশ্ন ২. গ্লাস ক্লিনারে অ্যামোরিয়া ব্যবহার করা হয় কেন?

উত্তর: গ্লাস ক্লিনারের মূল উপাদান হিসেবে NH3 ব্যবহার করা হয়। কারণ NH3 পানির সাথে বিক্রিয়ায় NH4OH উৎপন্ন করে। উৎপন্ন NH4OH এর OH- আয়ন কাচের কোনোরূপ ক্ষতি করে না বরং ময়লা পরিষ্কার করতে সহায়তা করে কিন্তু গ্লাসে ময়লা হিসাবে সাধারণত ধূলাবালির কণা এর পৃষ্ঠতলের উপর জমা হয়। আর ধুলাবালির এই কণাসমূহ বিভিন্ন ধাতুর অক্সাইড হিসাবে থাকে যা অ্যামোনিয়ার সাথে বিক্রিয়ায় গ্লাসের পৃষ্ঠাতল থেকে অপসারিত হয়। তাই গ্লাস ক্লিনারে NH3 ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন ৩. 2d অরবিটাল সম্ভব নয় কেন?

উত্তর: 2d অরবিটালের ক্ষেত্রে n এর মান 2। n এর মানের উপর সহকারি কোয়ান্টাম সংখ্যা l এর মান নির্ভর করে এবং l এর মান 0 হতে (n-l) পর্যন্ত হয়। সুতরাং n যখন 2 তখন l এর মান হবে 0 এবং l। কিন্তু d অরবিটালের জন্য l এর মান হতে হবে 2। এখানে n=2 হওয়ায়/এর সর্বোচ্চ মান হয় l। তাই 2d অরবিটাল সম্ভব নয়।

প্রশ্ন ৪. শীতকালে কোন্ডক্রিম ব্যবহার করা হয় কেন?

উত্তর: কোন্ডক্রিম হচ্ছে পানি এবং তেল অথবা চর্বির এক ধরনের ইমালশন অর্থাৎ তেলের মধ্যে পানির মিশ্রণ। শীতকালে বাতাসের আর্দ্রতা কম থাকায় শরীরের ত্বক অতিরিক্ত শুষ্কতায় ফেটে যায়। ত্বকের এই ফেটে যাওয়া হতে সুরক্ষার জন্য মূলত কোন্ডক্রিম ব্যবহৃত হয়। এটি ত্বকে প্রয়োগ করা হলে ইমালশনের বিয়োজনে পানির বাষ্পীকরণ ঘটে। এর ফলে ত্বকে শীতলকরণ অনুভূত হয় এবং ত্বক নরম ও মসৃণ থাকে যা ত্বকের পানিশূন্যতাকে বাধাগ্রস্থ করে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে ত্বক শুষ্কতা ও রুক্ষতা থেকে সুরক্ষিত থাকে। তাই শীতকালে কোন্ডক্রিম ব্যবহার করা হয়।

প্রশ্ন ৫. পোলার যৌগ কীভাবে সৃষ্টি হয়? উদাহরণসহ লেখো। 

উত্তর: সমযোজী যৌগসমূহ সাধারণত অধাতব পরমাণুর মধ্যে ইলেখট্রন শেয়ারের মাধ্যমে গঠিত হয়। সমযোজী যৌগে বন্ধনে আবদ্ধ পরমাণুসমূহের মধ্যে তড়িৎ ঋণাত্মকতার পার্থক্যের কারণে, আংশিক ধনাত্মক ও আংশিক ঋণাত্মক প্রান্তের সৃষ্টি হয়। সমযোজী যৌগে এই পোল সৃষ্টি হওয়াই পোলারিটি এবং এখানে সৃষ্টি ডাইপোলবিশিষ্ট যৌগ হলো পোলার যৌগ।

উদাহরণ: H8+ _Cl8-

>> এইচএসসি রসায়ন শর্ট সিলেবাস

উপসংহার

এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র থেকে প্রথম অধ্যায় সম্পর্কে এই ছিলো আমাদের আজকের প্রতিবেদন।

আশা করি এই প্রতিবেদন থেকে অনেক শিক্ষার্থী উপকৃত হয়েছেন। আপনার মূল্যবান সময় নিয়ো পোস্টটি পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

রসায়ন ছাড়া অন্য যে কোনো বিষয়ের পরিক্ষার সাজেশন পেতে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন।

যোগাযোগ করার ঠিকানা

নিচের দেওয়া লিংকগুলোর মাধ্যমে আমাদের সাথে যে কোন সময় যোগাযোগ করতে পারবেন। আশা করবো আপনার কোন জিজ্ঞাসা থাকলে আমরা সহযোগীতা করার চেষ্টা করবো ইনশাআল্লাহ।

ফেসবকু পেজ = ক্লিক করুন

Tags

এইচএসসি রসায়ন

এইচএসসি রসায়ন গাইড

5 Comments on “এইচএসসি রসায়ন ১ম পত্র প্রথম অধ্যায় হ্যান্ড নোট”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *